শরিয়া আইন কারা চায় এবং কেন চায়

JANUARY 17,2018

লিঙ্গপালেরা শরিয়া আইন কেন চায়? চায় অবাধে শিশু ধর্ষণ করতে। শরিয়া আইনে ধর্ষণ বৈধ কারণ শরিয়া আইনে ধর্ষণ বলে কোনও টার্ম নেই। বিবাহ বহির্ভূত সেক্সকে বলা হয় জিনা বা ব্যভিচার। শরিয়া আইনে এই ব্যভিচারে জড়িত সকলকেই অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হয়। ৩ বছরের শিশুকে ধর্ষণ করলেও সেটা ব্যভিচার, ব্যভিচার করার জন্য শাস্তি হবে ধর্ষক এবং ভিকটিম দুজনের; অর্থাৎ ৩ বছরের ভুক্তভোগী শিশুটিরও শাস্তি হবে। ব্যভিচারকে ব্যভিচার হিসেবে দাঁড় করাতে হলে প্রমাণ আনতে হবে, ৪ জন প্রাপ্তবয়স্ক বিশ্বাসযোগ্য পুরুষ সাক্ষী ছাড়া জিনা বা ব্যভিচারের অভিযোগও ধোপে টিকবে না। আপনি যদি অভিযোগ করেন , কিন্তু সাক্ষী আনতে না পারেন, তবে অভিযোগ করার জন্য আপনি শাস্তি পাবেন।

কাফেলা থেকে নেমে যুবতী আয়শা যুবক সাফওয়ানের সঙ্গে মরুভূমিতে একবার হারিয়ে গিয়েছিল। লোকে বলাবলি করেছে নিশ্চয়ই তারা তখন সেক্সে লিপ্ত ছিল। এই খবর প্রচার হওয়ার পর মান ইজ্জত বাঁচাতে নবী মুহম্মদ ঘোষণা করেন, কমপক্ষে চারজন সাক্ষী আনতে হবে ঘটনার, বলতে হবে তারা সেক্সের দৃশ্যটি স্বচক্ষে দেখেছে। আয়শা আর সাফওয়ানের সেক্স আয়শা আর সাফওয়ান ছাড়া অন্য কেউ দেখেনি বলে সে যাত্রা নবীর বিবিকে দুর্নাম থেকে বাঁচিয়েছিলেন স্বয়ং নবী । সেই থেকে চারজন সাক্ষী আনার আইন শুরু হলো ইসলামে। শরিয়া আইনের অনেক বৈষম্যই বাংলাদেশের পারিবারিক আইনে(বিবাহ, তালাক, সন্তানের অভিভাকত্ব, উত্তরাধিকার আইনে) বলবৎ আছে। এখন লিঙ্গপালেরা দেখছে তারা নিশ্চিন্তে শিশু ধর্ষণ করতে পারছে না, ধরা পড়লে জেলে যেতে হচ্ছে। এইরকম ইহুদি নাসারার সভ্য আইন তারা চায় না, তারা বাল্যবিবাহ অর্থাৎ শিশুবিবাহের আইন চায়, যেন শিশুদের বিয়ে করে মনের সুখে ধর্ষণ করতে পারে। ধর্ষণ শেষ হলে তো তালাক তালাক তালাক বললেই তালাক হয়ে যাবে, শরিয়া আইনের মজা শুধু শিশুবিবাহে নয়, যখন তখন কোনও কারণ না দর্শানোর তালাকেও।

শরিয়া আইন এলে ছেলে-শিশুদের বলাৎকার বৈধ হবে। বলাৎকার বা ধর্ষণ বলে, আগেই বলেছি, কোনও টার্ম নেই শরিয়া আইনে, বা কোরানের আইনে, বা আল্লাহর আইনে। দুই পুরুষের যৌন স/ঙ্গম বা স/ডোমির বিরুদ্ধে কোরানে লেখা আছে বটে, কিন্তু এর বিরুদ্ধে কোনও আইন নেই। পুরুষেরা তাই নিশ্চিন্তে নির্বিঘ্নে ছেলে-শিশুদের ধর্ষণ করে যেতে পারবে, কাউকে জেল হাজতের মুখ দেখতে হবে না।

আর কী কী সব ভয়াবহ কান্ড হবে, তা এখন হয়তো অনুমান করতে পারছেন না। লিঙ্গপালরাই তখন রাজত্ব করবে। পাথর জোগাড় করে রাখুন এখনই, মেয়েদের তো পাথর ছুঁড়ে হত্যা করা হবে। ওয়েল্কাম টু বর্বর আরবদের বর্বর যুগে।

লেখক

রাশেদুল ইসলাম চৌধুরী জয়

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *