JANUARY 5, 2019
মোহাম্মদের কাজ কর্ম দেখলে পরিস্কার বোঝা যায়- তার কথা ও কাজে সামঞ্জস্য ছিল খুবই কম।তিনি উপদেশ দিতেন একরকম কিন্তু নিজে সেটা অনুসরণ করতেন না।এ বিষয়ে লোকজনে কানা ঘুষা শুরু করলে তিনি সাথে সাথেই আল্লাহর কাছ থেকে তাৎক্ষনিকভাবে ওহি নামিয়ে নিতেন, অনেকটা ইন্টারনেট থেকে প্রয়োজনীয় সফটওয়ার ডাউনলোড করার মত।যার অর্থ হলো- স্বয়ং আল্লাহই বলছে মোহাম্মদকে সেসব কাজ করতে, তা সে কাজ যতই অসামাজিক ও অনৈতিক হোক না কেন। এই এক বিংশ শতাব্দীতেও কোন মুমিন বান্দাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তারা ঠিক এ উত্তরটি প্রদান করে থাকে।কতকগুলি উল্লেখযোগ্য উদারহণ দেয়া যেতে পারে এ বিষয়ে। যেমন-
আর যদি তোমরা ভয় কর যে, এতীম মেয়েদের হক যথাথভাবে পুরণ করতে পারবে না, তবে সেসব মেয়েদের মধ্যে থেকে যাদের ভাল লাগে তাদের বিয়ে করে নাও দুই, তিন, কিংবা চারটি পর্যন্ত। আর যদি এরূপ আশঙ্কা কর যে, তাদের মধ্যে ন্যায় সঙ্গত আচরণ বজায় রাখতে পারবে না, তবে, একটিই অথবা তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসীদেরকে; এতেই পক্ষপাতিত্বে জড়িত না হওয়ার অধিকতর সম্ভাবনা। কোরান,০৪:০৩
উক্ত আয়াত দ্বারা মোহাম্মদ মুমিন বান্দাদেরকে ৪টা পর্যন্ত বিয়ে করার জন্য সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন। উক্ত আয়াত পড়লে মনে হতে পারে যে- আল্লাহ বোধ হয় এতিম মেয়েদের জন্য বড়ই দয়াময় ও তাদের জন্য বড়ই চিন্তাশীল। আর সে দয়ার নিদর্শণ হিসাবে আল্লাহ বলছে যে এতিম মেয়েদের প্রতি সুবিচার করতে না পারলে তাদের যাকে ইচ্ছা তাকে বিয়ে করা যাবে, তবে তার সীমা চারটা পর্যন্ত।এভাবে এতিম মেয়েদেরকে বিয়ে করলে তাদের একটা গতি হবে ও তারা একটা আশ্রয় পাবে। বলাবাহুল্য, এ আয়াত দ্বারা এটাও খুব স্পষ্ট যে- এতিম মেয়েদের কোন ইচ্ছা অনিচ্ছা নেই, তাদের নিজেদের কোন মতামত নেই। তারা অনেকটা গৃহপালিত পশুপাখীর মত, ইচ্ছা হলেই যে কেউ যে কোন এতিম মেয়েকে বিয়ে করতে পারবে, আর বয়স সেখানে কোন বিষয় নয়।যেমন একজন ৭০ বছরের বুড়াও ৯ বছরের একটা শিশুকে বিয়ে করতে পারবে, কেউ এতে বাধা প্রদাণ করতে পারবে না।খোদ মোহাম্মদই ৫১ বছর বয়েসে ৬ বছরের আয়শাকে বিয়ে করে তার একটা মহান নিদর্শণ সৃষ্টি করেছেন ইতোমধ্যেই। এখনও সৌদি আরবে ধণী আরবরা বৃদ্ধ বয়েসে হর হামেশা ৯/১০/১১ বছরের মেয়ে বিয়ে করছে ও তাদের সাথে সেক্স করছে বিবেকের কোন তাড়না ছাড়াই। কারন তাদের বিবেক সেই ১৪০০ বছর আগেই দ্বীনের নবী মোহাম্মদ স্তব্ধ করে দিয়ে গেছেন।বাহ্যত: মোহাম্মদের এতিম মেয়েদের প্রতি এ দয়া অনেক মুমিন বান্দাদের মনে তুমুল আড়োলন তোলে। আহা দ্বীনের নবী! সীমাহীন দয়ার সাগর! কিন্তু আসলে বিষয়টি কি ? কেন মেয়েগুলো এতিম হলো ? মোহাম্মদের ডাকে উগ্র ও অজ্ঞ আরবরা বেহেস্তে গিয়ে হুর পরীর সাথে ফুর্তি করার উদগ্র কামনায় তারা বিভিন্ন গোত্র ও জাতির বিরুদ্ধে আগ বাড়িয়ে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে অনেকটা অপঘাতে ( শহীদ?)নির্মমভাবে নিহত হয়েছে। অর্থাৎ তাদের মৃত্যুর জন্য মোহাম্মদই দায়ী। মোহাম্মদের আদর্শ প্রতিষ্ঠা করতে যেয়ে তারা মারা গেছে। কি সেই আদর্শের উদ্দেশ্য? উদ্দেশ্য- তারা যদি যুদ্ধে মারা যায়- তাহলে সরাসরি বেহেস্তে গিয়ে ৭২ টা যৌনাবেদনময়ী হুরদের সাথে অফুরন্ত ফুর্তি করার সুযোগ পাবে।আর যারা বেঁচে থাকবে তারা ফুর্তি করবে তাদের রেখে যাওয়া কন্যা, স্ত্রী, বোন এদের সাথে বহু বিবাহের মাধ্যমে। আহা, ফুর্তির কি অবাধ ব্যবস্থা! মরলেও ফূর্তি, বাঁচলেও ফুর্তি। এর পরেও যদি কেউ ইসলাম গ্রহণ না করে সে নিতান্তই মূর্খ।ফুর্তির এরকম অবাধ ব্যবস্থা অন্য কোন ধর্মে না থাকাতেই মনে হয় আমাদের মুমিন বান্দাদের ধর্মীয় বিশ্বাস এত শক্ত ও দৃঢ়। কিন্তু এর পরেও মুমিন মুসলমানের জন্য সীমা হলো চারটি মাত্র। ইচ্ছে থাকলেও চারের বেশী বিয়ে করা যাবে না। কিন্তু খোদ মোহাম্মদের জন্য কি নিদান ?
মোহাম্মদের জন্য নিদান হলো তিনি যত খুশী বিয়ে করতে পারবেন, যাকে ইচ্ছা তাকে বিয়ে করতে পারবেন, যে কেউ তাকে বিয়ে করতে চাইলেই সাথে সাথেই তিনি তাকে বিয়ে করতে পারবেন।
লেখক
রাশেদুল ইসলাম চৌধুরী
